তিনি আরও বলেন, ‘একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের মানসিকতা হবে উদার, একটি নির্দিষ্ট পশ্চিমা সংস্কৃতিকে অনুসরণ করে বাংলাদেশের অন্য সব সংস্কৃতিকে অবমাননা করার কোনও অধিকার তার নেই। পশ্চিমা সংস্কৃতিকে সে একজন মানুষের যোগ্যতা দক্ষতার পরিচায়ক মনে করছে, আসলে কিন্তু সেটি অবান্তর ছাড়া কিছুই নয়।’
চাকসুর সহ-ছাত্রী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস রিতা বলেন, ‘তিনি পোশাকের স্বাধীনতা চেয়েছেন, কিন্তু একজন নারী হিজাব পরে এলে সেটি মানতে পারেন না। এরকম দ্বিচারিতামূলক আচরণ একটি প্রতিষ্ঠানে কখনও ভারসাম্য বজায় রাখে না। আপনাদের স্বাধীনতার মানে যদি হয় পশ্চিমা সংস্কৃতিকে প্রমোট করা, অন্যের ধর্মকে কটাক্ষ করা, হিজাবকে কটাক্ষ করা ও নারীবিদ্বেষী আচরণ করা তাহলে সেই স্বাধীনতাকে আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।’
এর আগে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন তার ফেসবুকে রাকসু হল সংসদের নারীদের শপথ গ্রহণের ছবি দিয়ে লেখেন, ‘এই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা আমি এন্ডোর্স করছি। কাল আমি এরকম ব্যক্তিগত স্বাধীনতা পরে ও হাতে নিয়ে ক্লাসে যাবো। পরবো টু-কোয়ার্টার, আর হাতে থাকবে মদের বোতল। মদ তো ড্রাগ না! মদ পান করার লাইসেন্সও আমার আছে! শিবির আইসেন, সাংবাদিকরাও আইসেন!’তার এই পোস্টের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। যদিও এখন তার ওয়ালে পোস্টটি দেখা যাচ্ছে না।







