তিনি আরও বলেন, ‘একটি ফুটবল ম্যাচ দেখার সময় যে আবেগ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়, সেই অনুভূতিগুলোকে উদযাপন করার লক্ষ্যেই ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফিটি বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে।’
ফিফার চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাই বলেন, ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি খেলাধুলার জগতে সবচেয়ে বড় প্রতীক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে কোকা-কোলা বিশ্বের অন্যতম পরিচিত ব্র্যান্ড। গত দুই দশক ধরে কোকা-কোলার সঙ্গে ফিফার অংশীদারিত্ব ফুটবলভক্তদের কাছে বিশ্বকাপের আবেগ পৌঁছে দিয়েছে। একই সঙ্গে সামনে রয়েছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ আয়োজন, যেখানে আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র। তিনি জানান, এবারের ট্রফি ট্যুরটি বিশেষ, কারণ এটি ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলার ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। গত ২০ বছরে ট্রফিটি মোট ২১১ টি ফিফা সদস্য দেশের ১৮২ টিতে ভ্রমণ করেছে।
ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা প্রতিটি দেশে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এই ট্যুরের অংশ হিসেবে প্যাকেজিং সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ফিফার দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে কোকা-কোলার সঙ্গে সংস্থাটির সম্পর্ক ১৯৭৬ সাল থেকে। ১৯৭৮ সাল থেকে কোকা-কোলা ফিফা বিশ্বকাপ-এর অফিসিয়াল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত রয়েছে। ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর আয়োজনের একমাত্র অধিকার কোকা-কোলার, যার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে হাজারো ফুটবলভক্ত এই ঐতিহাসিক ট্রফিটি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ আয়োজন। প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে তিনটি দেশে—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়। এবারই অংশ নেবে সবচেয়ে বেশি দল, তেমনি অনুষ্ঠিত হবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচও।