তিনি বলেন, বর্তমানে বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত এমন কোনো কারখানা নেই, যেখানে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন নিয়ে অমীমাংসিত বড় কোনো সমস্যা রয়েছে।বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে চলতি অর্থবছরে পোশাক খাত চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার হার ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং পোশাকের গড় ইউনিট মূল্য ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমেছে। জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের অনিশ্চয়তাও পরিস্থিতিকে জটিল করেছে।
তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও উদ্যোক্তারা শ্রমিকদের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন বিজিএমইএ সভাপতি। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ঋণের চাপ থাকা সত্ত্বেও উদ্যোক্তারা ব্যক্তিগতভাবে তহবিল সংগ্রহ করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধ করেছেন। যেসব কারখানায় আর্থিক সংকট ছিল, সেখানে বিজিএমইএ, ব্যাংক ও শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।
এদিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকলেও ৬৪ দশমিক ০৩ শতাংশ কারখানা মার্চ মাসের আংশিক বেতন অগ্রিম পরিশোধ করেছে। একই সঙ্গে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ কমাতে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ১৭ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে এবং বাকি কারখানাগুলো আজ ও আগামীকালের মধ্যে ছুটি ঘোষণা করবে বলেও জানানো হয়েছে।