সরকারের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আপনার কাছে পাওয়ার কিছুই নাই। সংসদ সদস্য, ঠিকাদারি, লুটের টাকার ভাগ চাই না। আমরা একটা জিনিসই চেয়েছি, যারা শেখ হাসিনার আমলে রক্ত দিয়েছে, জেল খেটেছে, আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিনা অপরাধে জেল খেটেছেন, আমাদের সবার দাবি এদেশের মানুষের জন্য সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের জন্য আপনাকে (ড. ইউনূস) সরকারে বসিয়েছে। কোন দিন নির্বাচন দেবেন তা বলে দিতে অসুবিধা কোথায়? আমার মনে হয়, সরকার নির্বাচন দিতে বিলম্বিত করছে কারও কারও শক্তি সমর্থন জোগাড় করার জন্য। এসব টালবাহানা এদেশে চলবে না। আমরা ভেসে আসি নাই।
তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে বলেছেন, তাই আমরা ধৈর্য ধরে আছি। কিন্তু এই ধৈর্যের ফল যদি হয় নির্বাচন বিলম্বিত, তাহলে সেই ধৈর্যের বাঁধ আমরা ভেঙে ফেলবো। মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তখন যদি আমাদেরকে থামতে বলেনর, আমরা থামবো না। নির্বাচনের জন্য আমরা মাঠে নামবোই যদি সময় মতো নির্বাচন দেওয়া না হয়। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু প্রমুখ।







