জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা সবাই অপেক্ষা করছি। ১২ মার্চ নতুন জাতীয় সংসদের অধিবেশন, সেই অধিবেশনে শুনছি আমরা ফ্যাসিস্টের দোসর, ফ্যাসিস্টের লেজুর রেখে যাওয়া রাষ্ট্রপতি বক্তব্য দেবে, ভাষণ দেবে। আপনাদের সামনে স্পষ্টভাবে বলে যাচ্ছি, কোনো ফ্যাসিস্টের দোসরের বক্তব্য শোনার জন্য ১২ মার্চ আমরা জাতীয় সংসদে যাচ্ছি না। আপনারা সবাই হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন, আমরা সবাই দল, মত, নির্বিশেষে হ্যাঁ এর পক্ষে ভোট দিয়েছি। ফলে সংস্কারের পক্ষে, বিচারের পক্ষে আমাদের সেই লড়াই চলমান থাকবে। আপনাদেরকে সচেতন থাকার, ১২ মার্চ সংসদের দিকে তাকিয়ে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে বিভাগীয় ইফতার মাহফিল প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, হাদি হত্যার বিচার যেন সত্যিকার অর্থে ন্যায়বিচার হয়। কারণ যারা শুধু গুলি করেছে তারাই হত্যাকারী নয়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র, সেই ষড়যন্ত্রকে বাংলাদেশের মানুষের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে। শুধু প্রত্যক্ষ নয়, পরোক্ষভাবে যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, আমরা দেখেছি ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড তারা উদ্বোধন করেছেন তাদের ইশতিহার অনুযায়ী তাদেরকে সাধুবাদ। কিন্তু আমরা পাশাপাশি এও বলেছিলাম যদি দুর্নীতি বন্ধ না হয়, যদি চাঁদাবাজি বন্ধ না হয়, যদি দখলদারিত্ব বন্ধ না হয়, যদি ঋণ খেলাপীদেরকে সংসদে এবং সরকারের ঠাঁই দেওয়া হয়, এ সকল ফ্যামিলি কার্ড কেবল হচ্ছে চোখ ধাঁধানো একটা কর্মসূচি। এটা বাংলাদেশের অর্থনীতির কোনো পরিবর্তন করতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জাতীয় যুব শক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির প্রমুখ।