সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে ঈদের প্রধান জামাত হয় হযরত শাহ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : সোমবার, ১৭ জুন, ২০২৪

বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৭টায় হযরত শাহ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে। কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন মহানগরীর হেতমখাঁ বড় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা ইয়াকুব আলী। এখানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা মিজানুর রহমান মিনু, বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির, জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ সহ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জননেতা এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন সকাল ৭ টায় রাজশাহী মহানগরীর কাদিরগঞ্জে হাজী লাল মোহাম্মদ ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন। ঈদের নামাজ শেষে রাজশাহী মহানগরবাসীসহ দেশ ও জাতির কল্যান কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

ঈদের নামাজের পর মুসল্লীদের সাথে কুশল ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা মিজানুর রহমান মিনু।

এদিকে রাজশাহীতে ঈদের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টায় ও সকাল ৮টায় মহানগর (টিকাপাড়া) ঈদগাহে।
মহানগরীর তৃতীয় বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায় বড় মসজিদ সংলগ্ন সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে (বড় রাস্তায়)। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৮টায় এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টায়।

রাজশাহীর ঈদগাহের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবখানেই ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা লাগানোর হয় এবং ঈদের দিন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ রাজশাহী মহানগরীর ঈদগাহগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়।

এদিকে আনন্দমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের লক্ষ্যে এবার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন।আজ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া এদিন সরকারি ভবন ও সড়কসমূহ বিশেষভাবে সজ্জিত করা হয়েছে।

ঈদের দিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুপল্লী, শিশুসদন, ছোটমণি নিবাস, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, সেফ হোম এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। সকাল থেকে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বড়দের সাথে শিশু কিশোরদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে ।


এই বিভাগের আরো খবর