ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরও জানান, প্রথম অধিবেশনের পরই আমন্ত্রিত অতিথিরা চলে যান। এরপর পিঠা মেলা চলছিল। রাজশাহী শহর থেকে কয়েকজন নারী কণ্ঠশিল্পী আনা হয়েছিল। তারা মঞ্চে গান পরিবেশন করছিলেন। কিছুক্ষণ আগে আসরের নামাজের বিরতির পর ৪টা ২১ মিনিটে মঞ্চে শেষ গানটি চলছিল। তখনই ১৫-২০ জন রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অনুষ্ঠানে হামলা চালান। তারা কারও সঙ্গে কথা না বলেই ভাঙচুর শুরু করেন। প্রায় ৬০-৭০টি চেয়ার, বাদ্যযন্ত্র ও সাউন্ড বক্স ভাঙচুর করা হয়। প্রায় ২০ মিনিট এভাবে ভাঙচুরের পর হামলাকারীরা কলেজ থেকে চলে যান।
হামলা ও ভাঙচুরের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। তিনি জানান, ঘটনাটি থানায় জানানো হয়েছে। এরপর থানা থেকে একজন এসআই এসে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখছেন। অভিযোগ করবেন কি না জানতে চাইলে জানান, সে সিদ্ধান্ত কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গোদাগাড়ী থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশের টিম ফিরলে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে পারবো। এ বিষয়ে চাইলে কলেজ কর্তৃপক্ষ থানায় অভিযোগ করতে পারেন। অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








