রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন

ভোলার গ্যাস ঘিরে নতুন আশা সরকারের

আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

ভোলায় রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রম গত কয়েক বছরে তিনটি কূপ খনন করেছে। এর আগেও বাপেক্স ভোলায় গ্যাস আবিষ্কারের পর কূপ খনন করেছে। ফলে ভোলার চাহিদা পূরণ করে সেখানকার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যেতে পারে। যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই গ্যাস রাতারাতি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে হলে একটি সমীক্ষা করা জরুরি।

কেননা, বড় আকারের এলএনজি জাহাজের পরিবর্তে এখানে ছোট আকারের এলএনজি জাহাজ আনতে হবে। একইসঙ্গে ভোলায় গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরের জন্য প্ল্যান্ট বসাতে হবে। আবার আশুগঞ্জেও এলএনজিকে রিগ্যাসিফিকেশনের জন্য পৃথক ইউনিট বসাতে হবে।

এর আগে বাপেক্সের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল— ভোলায় ৫ দশমিক ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুত রয়েছে। এর মধ্যে শাহবাজপুর এবং ইলিশায় ২ দশমিক ৪২৩ টিসিএফ এবং চর ফ্যাশনে ২ দশমিক ৬৮৬ টিসিএফ মজুত গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এর বাজার মূল্য সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা।গ্যাস উত্তোলনের হিসাবে এক টিসিএফ গ্যাস দিয়ে এক বছরের চাহিদা পূরণ সম্ভব।

দেশের স্থলভাগে ভোলা ছাড়া আরও  কোথাও বড় কোনও মজুত পাওয়া যাচ্ছে না। সিলেট অঞ্চলের গ্যাসও ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে। অপরদিকে সাগরে তেল-গ্যাস উত্তোলনের আশাও আপাতত ছাড়তে হচ্ছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, সব শেষ বিডিং রাউন্ডে কোনও দেশই অংশ নেয়নি। এতে আবার বিডিং রাউন্ড করে কোনও কোম্পানিকে কাজ দিতে অন্তত দুই বছরের বেশি সময় প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, এখন দেশে প্রতিদিন ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে ৭৫০ থেকে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আমদানি করা হয়। বাকিটা সরবরাহ করা হয় দেশের খনি থেকে।


এই বিভাগের আরো খবর