ড. মঈন খান বলেন, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর একটি দল গণতন্ত্র ধ্বংস করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। তারা সব সময় জনগণের মতামত উপেক্ষা করেছে। ফলে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাদের পতন ঘটে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি চায় না। বিএনপি সব গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠন করতে চায়।’জিয়াউর রহমান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শহীদ জিয়া বঙ্গভবনে বসে রাজনীতি করেননি; তিনি তৃণমূলে ছুটে গেছেন এবং দলকে সংগঠিত করেছেন। তিনি ছিলেন একজন অনন্য প্রতিভার অধিকারী। শিল্প ও সাহিত্যকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। গ্রামীণ শিল্প, গান ও প্রতিভাকে কাজে লাগাতে গ্রাম থেকে শিল্পী এনেছেন এবং বিদেশ সফরে বাউলদের সঙ্গে নিয়েছেন। তিনি শহরের নয়, গ্রামের আদর্শ লালন করতেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন এবং নিজের জীবনের পরোয়া না করে নেতৃত্ব দেন।’অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী বাউল দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম তুহিন, মেহেদী হাসান তুহিন এবং জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের যুগ্ম মহাসচিব ড. কাজী মনিরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।







