এছাড়া, ক্রেতা-বিক্রেতার লেনদেনের সুবিধার্থে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) সার্ভিস চালু রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কিউআর কোড পেমেন্ট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবাও সার্বক্ষণিকভাবে সচল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের কাছে পর্যাপ্ত নগদ টাকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, কারণ ঈদ মৌসুমে এই সেবার ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। একইসঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং যেকোনও ধরনের জালিয়াতির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাহকদের জানাতে বলা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ঈদে ব্যাংকিং সেবা যাতে বিঘ্ন না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, নগদ অর্থ উত্তোলন থেকে শুরু করে সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হোক।’
দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গত কয়েক বছর ধরে ডিজিটাল লেনদেনের উপর নির্ভরতা বাড়ছে। তাই ঈদের মতো উৎসবমুখর সময়ে গ্রাহকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।







