জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, লন্ডনে তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের বৈঠক যখনই প্রত্যাশা পূরণের অপেক্ষায় তখনই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই মিটিং করে, সভা করে, আরও দুই-চার জন রাজনৈতিক নেতাকে নিয়ে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হবে না—এসব কথা বলা হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনি ১০-১১ মাস কাটিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু একটা লক্ষ্য আপনার আছে— ফেব্রুয়ারি। ফেব্রুয়ারিতে অনুগ্রহ করে নির্বাচনটা দেন। দেশকে শান্তিতে নিয়ে আসেন, দেশের মানুষকে শান্তিতে বসবাস করতে দেন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। একটি নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে যেন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো আবার কাজ করার সুযোগ পায়।
তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য রহিমা শিকদার প্রমুখ।







