বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, গণঅভ্যুত্থানে চরম দক্ষিণপন্থীর উত্থান হয়েছে। ধর্মীয় ভাবাদর্শের জড়াজড়ি হয়েছে। গত ১৫ বছরে বাম প্রগতিশীলদের যে দায়িত্ব ছিল, তা ঠিক মতো পালন করা যায়নি। তিনি বলেন, এতগুলো কমিশন হয়েছে, কিন্তু বৈষম্যবিরোধী কোনও কমিশন গঠন হয়নি। সরকার যদি সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আগামী ৩ থেকে ৪ মাসে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ঠিক করে নির্বাচন করা সম্ভব। নির্বাচন যদি অনিশ্চিত থাকে তাহলে কিন্তু নৈরাজ্য সৃষ্টি হতে পারে।
গণ ফোরামের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমরা অনেক আশা নিয়ে ছিলাম। কিন্তু প্রতিদিনই আমরা আশাহত হচ্ছি। জাতি জানতে চাচ্ছে, কবে নির্বাচন। কিন্তু সরকার আমাদের সঙ্গে কানামাছি খেলছে। এরমধ্যে আবার একটা কিংস পার্টি করে দিয়েছে। জাতির সঙ্গে তামাশা শুরু করেছে সরকার। এই তামাশা বন্ধ করেন। কেউ কেউ এখন বলছে স্থানীয় নির্বাচন করেন। কারা এসব বলে আমরা বুঝি না? আমরা চারিদিকে অন্ধকার দেখতে পাচ্ছি।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, সরকার আসলে নির্বাচন যেভাবে বলছে, ওভাবে দেবে কিনা তা নিয়ে গভীর একটা সন্দেহ আছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে এটা এখনও মানুষ সন্দেহ করে।
তিনি বলেন, অভ্যুত্থান যে যুবসমাজ করেছে তারা এখন বিভিন্নভাবে খণ্ডিত হয়ে গেছে। একটা অংশ একটা পার্টি করেছে বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নামে। তাদেরই লোকরা টোকা দিয়ে দিয়ে দেখে যে, তারা এন্টি লিবারেশন অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতিকে কতটুকু কীভাবে এখানে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।







