শিক্ষার্থী-জনতার বিক্ষোভে উত্তাল নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির পদত্যাগ এবং আগাম নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে দেশটির বিরোধী দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত পার্টি (আরএসপি)। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানিয়েছেন আরএসপির সাধারণ সম্পাদক কবীন্দ্র বুরলাকোতি।
“সেই সঙ্গে আমাদের দাবি, এই বিক্ষোভে যত খুনের ঘটনা ঘটেছে এবং এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর যেসব দুর্নীতি হয়েছে— সেসবের তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠন করুক বিচার বিভাগ। আমরা শিক্ষার্থী-জনতাদের গুলি করে হত্যার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”
কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও সরকারিভাবে নিবন্ধন না করায় ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এ নিষেধাজ্ঞা।
অবশেষে গতকাল রোববার থেকে শুরু হয় আন্দোলন এবং আজ সোমবার তা রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে। রাজধানী কাঠমান্ডুতে কারফিউ অমান্য করে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থী-জনতা। শুরুর দিকে এই বিক্ষোভে শীর্ষ দাবি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি এলেও বর্তমানে এটি প্রায় পুরোপুরি সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২০ জন, আহত হয়েছেন আরও বহু সংখ্যক।নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। এবার প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিরও পদত্যাগের দাবি উঠল।