বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে, আমি কে, সায়মা সায়মা’, ‘বিচার চাই, সায়মা হত্যার বিচার চাই’, ‘আমার বোন মরলো কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘প্রশাসনের সিন্ডিকেট ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘কথা ছিল তিন দিন, বিচার পাবো কোনদিন’এমন নানা স্লোগান দেন।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, প্রশাসন নিজেই সময় নির্ধারণ করেছিল, তারপরও তারা গাফিলতি করলো কেন? আমরা চাই, তদন্ত প্রতিবেদন যেন সঠিকভাবে দেওয়া হয়, যাতে কোনো পক্ষপাত না থাকে। প্রশাসন যেন কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে। যারা সায়মার মৃত্যুর সময় দায়িত্বে অবহেলা করেছে, তাদের চাকরিচ্যুত করা হোক। পাশাপাশি সায়মার পরিবারকে এককালীন আর্থিক সহায়তা এবং তার ভাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির ব্যবস্থা করা হোক।
তিনি আরও বলেন, রাকসুর প্রতিনিধিরা এখনো ভবনে বসেননি, প্রথম অধিবেশনও শুরু হয়নি। তবে অধিবেশন শুরু হলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আমরা দুই মিনিটও সময় নেব না।
প্রসঙ্গত, নিহত শিক্ষার্থী সায়মা হোসেনের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। গত রোববার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে নেমে তিনি ডুবে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই শিক্ষার্থীরা ভিসির বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন এবং সায়মার মৃত্যুর তদন্তে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা দেন।