
স্থানীয়রা জানায়, বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য মামুন স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে তার অফিসে বসে ছিলেন। এসময় সাবেক শিক্ষক ইমদাদুল হকসহ কয়েকজন মাহফিলের সহযোগিতার জন্য ওই অফিসে ইউপি সদস্য মামুন শেখের কাছে যান। রাত ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে করে সন্ত্রাসীরা এসে অফিস লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় তারা গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমদাদুল হককে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
নিহতের ছেলে অনিক বলেন, মাহফিলের টাকা সংগ্রহে গিয়ে আমার বাবা মারা গেছেন। তিনি এলাকার মধ্যে সবচেয়ে ভালো মানুষ ছিলেন। আব্বুর স্বপ্ন ছিল আমি ডাক্তার হব। খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান বলেন, যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনকে সন্ত্রাসীরা গুলি করেছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, রাতে হামলার ঘটনায় এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামুন ও মিজান নামে দুজন আহত হয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত চলছে।