এ বিষয়ে তানজিল ভূঞা বলেন, প্রথমে চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এরপর ৬ থেকে ৯ নভেম্বর ওয়ার্ল্ড ফ্রিডম ডে উপলক্ষে একটি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। সেই মেলায় তাকে (সহকারী অধ্যাপক সাজু সরদার) কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি, বরং আমাকে সব দায়িত্ব দেওয়া হয়। মেলা নিয়ে আমাদের একটি মিটিং হয়েছিল, যেখানে কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে আমি তাকে বলি যে ১ কোটি ৪১ লাখ টাকা আপনি আত্মসাৎ করেছেন। তখন তিনি আমার এক ছাত্রীর সাথে বিয়ের বিষয়টি তুলে আমাকে খোঁটা দেন। এরপর মেলার তিন দিন আগে মেলা বানচালের উদ্দেশ্যে তিনি প্রায় ছয় মাস আগের একটি ভিডিও সামনে আনেন, যেখানে আমার স্ত্রীকে (ছাত্রী) দেখা যায়, আমার দিকে একটি খাতা ছুড়ে মারছেন। এরপর থেকেই তিনি নানা বিষয় তুলে আমাকে নিয়মিতভাবে হেনস্থা করছেন।
সাজু সরদার বলেন, প্রশাসনের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেই সব পরিষ্কারভাবে বলা আছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছিল, এবং তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১০ ও ১১ নভেম্বর ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানজিল ভূঞাকে চরিত্রহীন, লম্পট ও সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তার বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তারা বিভাগের অফিসকক্ষে তালা ঝুলিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন চালান।