দেশের স্বার্থে নির্বাচনের পরে খোলা মনে বসতে চান। তবে এর সঙ্গে আবার শর্ত জুড়ে দিলেন। জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, নিঃশর্ত কেন হবে? আরেকজনের দায় জোর করে আমি কেন কাঁধে নেব। আমরা তো দেশকে স্বচ্ছ জবাবদিহিতার দিকে এগিয়ে নিতে চাই।
প্রশাসনের অনেকেই আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। এই প্রশাসনকে দিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মনে করি তারা বদলাবেন। অন্যথায় তাদের বদলাতে বাধ্য করা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ, উন্নয়ন টিম লিড দেওয়ান আলমগীর এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।