সংসদ ভবন সূত্র জানিয়েছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য জাতীয় সংসদ ভবন নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। ভবনের অভ্যন্তরে ধোয়া-মোছার কাজ চলছে এবং সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। সংসদের বাইরে সদস্যদের বরাদ্দকৃত কক্ষগুলো সাজানোর কাজও চলছে। গণঅভ্যুত্থানের সময় যেসব অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেগুলো মেরামত করা হচ্ছে। নির্বাচনের দুদিন পর শনিবার থেকে সেখানে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয়।

এদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন এখনো প্রস্তুত নয়। সে কারণে এই মুহূর্তে তিনি সেখানে উঠতে পারছেন না। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজনের মধ্যে এদিন সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব আব্দুর রশীদকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
সংসদ সচিবালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে সংসদ সচিবালয়ে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এরপর তারা সেই প্রস্তুতি শুরু করেছেন। সংসদ সচিবালয় আগে থেকেই সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ আয়োজনের কাজ শুরু করেছিল।
সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান রয়েছে। শুক্রবার রাতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টিতে জয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে তাদের এক সময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট ৭৭টি আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন।