ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো হঠাৎ সৃষ্ট ঘটনা নয়। এটি দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষ, বৈষম্য, বঞ্চনা এবং ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের বিরুদ্ধে মানুষের অন্তর্গত প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ। শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এখানে এক নতুন শক্তির জন্ম হয়েছে, যা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়।
জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সংগঠিত হলেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্ভর নয়। এখানে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী নিজেকে নেতা এবং দায়বদ্ধ নাগরিক হিসেবে ভাবছে। ফলে এই আন্দোলনকে দমন করা বা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ নয়। যখন বলা হয়, সরকারি দলের থেকে তোমরা বেশি শক্তিশালী, তখন তা শুধু সংখ্যার বিচারে নয় বরং মনোবল, ঐক্য এবং নৈতিক অবস্থানের শক্তির প্রতিফলন। রাজনৈতিক দলগুলোর শক্তি মূলত সংগঠন, অর্থ ও ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের শক্তি এসেছে মানুষের হৃদয় থেকে। এখানে ব্যক্তিগত স্বার্থের কোনো স্থান নেই; বরং রয়েছে একটি সম্মিলিত স্বপ্ন- ন্যায়বিচার, সমতা এবং একটি স্বচ্ছ রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা। যদি এই আন্দোলন তার লক্ষ্য ও আদর্শে অটল থাকতে পারে, তবে এটি শুধু একটি ক্ষণস্থায়ী প্রতিবাদ হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র পক্ষের রাবি শাখার আহ্বায়ক মো. গোলাম মোস্তফাসহ দলটির নেতাকর্মীরা।







