প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করার পরিকল্পনা করছি, যার ৮০ শতাংশ হবে নারী। এই মানুষগুলোর দায়িত্ব হবে গ্রামে ঘরে ঘরে মানুষের কাছে যাওয়া, শহরেও তারা থাকবে। ঘরে ঘরে গিয়ে তারা মানুষকে সচেতন করবে, বিশেষ করে নারীদের। তারা সচেতন করবে কোন খাবার খেলে কার্ডিয়াক সমস্যা হবে না, কোন খাবার খেলে কিডনি রোগ হবে না। এভাবে তারা সবাইকে সচেতন করবে। আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষকে সুস্থ রাখা, এ বিষয়ে তাদের সচেতন করা।
তারেক রহমান বলেন, অসুস্থ মানুষের সংখ্যা যখন কম হবে তখন মেডিকেলে আমাদের সার্ভিস দিতে, টেক-কেয়ার করতে বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান। সেখান থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি প্লেনে করে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টায় তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান এবং জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমসহ স্থানীয় বিএনপি নেতা ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।







