ট্যাঙ্কারট্র্যাকারসের তথ্য অনুযায়ী, ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি) শ্রেণির ওই সুপারট্যাঙ্কারটি ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাঙ্কার কোম্পানির মালিকানাধীন। এটি মার্কিন নৌবাহিনীর নজর এড়িয়ে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। হিউজ নামের এই জাহাজটি ১৯ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বহন করছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২২০ মিলিয়ন ডলার।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার এমন খবর পাওয়া গেলেও মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করছেন যে, অবরোধ কার্যকর রয়েছে এবং এর ফলে ইরানের শত কোটি ডলারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।
এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে সেন্টকম লিখেছে, ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের সময় গত ২৮ এপ্রিল আরব সাগরে অবস্থান করছে ইউএসএস নিউ অরলিন্স (এলপিডি ১৮)। গত ২০ দিনে অবরোধের নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে ৪৮টি জাহাজকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শনিবার (২ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন যে, তেহরানের পাঠানো একটি নতুন প্রস্তাব তিনি পর্যালোচনা করবেন; তবে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরান আমাদের কাছে এইমাত্র যে পরিকল্পনাটি পাঠিয়েছে, তা আমি শিগগিরই পর্যালোচনা করব। তবে আমি কল্পনাও করতে পারছি না যে এটি গ্রহণযোগ্য হবে। কারণ বিগত ৪৭ বছর ধরে তারা মানবতা ও বিশ্বের যা ক্ষতি করেছে, তার জন্য তারা এখনও যথেষ্ট চড়া মূল্য পরিশোধ করেনি। সূত্র: উইয়ন নিউজ







