শুভেন্দু ছিলেন মমতার অত্যন্ত কাছের লোক। কিন্তু ২০২০ সালে তিনি মমতার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখান। তার তৃণমূল ছাড়ার বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির গতিপথ বদলে দেয়।
কেন ছেড়েছিলেন তৃণমূল?
শুভেন্দুর বাবাও ছিলেন রাজনীতিবিদ। তারা করতেন ভারতীয় কংগ্রেস। এরপর ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তারা তৃণমূলের শুরুর দিকের নেতা ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি সর্বপ্রথম একটি পৌরসভার নির্বাচন করে সেখান থেকে জয়ী হন।
কীভাবে সবার নজরে আসেন শুভেন্দু
এরআগেই অবশ্য ২০০৯ সালে তামলুক লোকসভার আসন থেকে জয় পান শুভেন্দু। ২০১৪ সালেও জেতেন তিনি। কিন্তু ২০১৬ সালে পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করেন এবং নন্দিগ্রাম থেকে বিধানসভায় জেতেন। এরপর তাকে মমতা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেন।
২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত শুভেন্দু ছিলেন মমতার পর তৃণমূলের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা। কিন্তু মমতার ভাইয়ের ছেলে অভিষেকের প্রতি দলের ঝুঁকে পড়ার বিষয়টি ভালোভাবে নেননি তিনি।
২০২০ সালে তৃণমূল ছেড়ে পরের বছর ২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে নন্দিগ্রামে নির্বাচন করেন তিনি। সেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মমতা। সেই মমতাকে ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দেন হিন্দুত্ববাদী শুভেন্দু।
আর এবার মমতাকে তিনি ভবানিপুর থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন। এরসঙ্গে বিজেপি বিধানসভা ২৯৪টি আসনের মধ্যে একাই ২০৭টি আসনে জিতে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করেছে। সূত্র: আউটলুক ইন্ডিয়া







