মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের সামনে এক ব্যবসায়ী ও তার শ্যালক সিরাজুল ইসলাম ভ্যানগাড়িতে কাপড় বিক্রি করছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর গুলিবর্ষণ করেন।
হামলার সময় রাবার বুলেটের আঘাতে ওই ব্যবসায়ী মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এর কিছুক্ষণ পর একই এলাকায় কাপড় গোছানোর সময় তার শ্যালকের ওপরও গুলি চালানো হয়। এতে একটি গুলি তার বাম পায়ে লাগলে তিনি আহত হন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছোড়া টিয়ারশেলের আঘাতে তার দুই চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। পরে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল ও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।







