রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন

এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নানান প্রশ্ন, দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্যে অমিল

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা ‘দ্য ডিসেন্ট’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ জুলাই সাবেক এমপিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিতর্কিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা তরুণীর বাবা মাসুম বিল্লাহ জানান, গত ১৭ জুন মগবাজারে তার নিজস্ব কার্যালয়ে এমপি নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার মেয়ে মরিয়ম আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১৩ জুলাই এমপি ও তার পরিবার তার কার্যালয়ে বিশ্রামের সময় ভিডিওটি গোপনে ধারণ করা হয়। তিনি এই ষড়যন্ত্রের জন্য তার সাবেক সহকারী ও শ্যালক ওবায়দুল্লাহকে দায়ী করেন।

এমপির সুপারিশ

ছড়িয়ে পড়া সেই বায়োডাটায় দেখা যায়, গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম নিজে তাতে ‘জোর সুপারিশ’ করে স্বাক্ষর করেছেন।গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠানো ২৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়েছে। এটা নিয়ে যারা কুৎসা রটাচ্ছে, আমি সেটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের অসত্য প্রচার থেকে বিরত না থাকলে আমি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।’

মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এক ভিডিওতে বলেন, ‘গত ১৩ জুলাই এমপি সাহেবকে নিয়ে যে ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে আমাদের সামাজিকভাবে হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। গত ১৭ জুন মঙ্গলবার আমার বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তারের সঙ্গে এমপি সাহেবের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তার প্রথম স্ত্রীসহ আমরা উভয় পরিবারের সবাই উপস্থিত ছিলাম।’

পুরো বিতর্কের বিষয়ে দেশবাসীর কাছে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম ভিডিওতে বলেন, ‘আমি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। আমাদের বিয়ে কোনও গোপন বা অনৈতিক বিষয় নয়। ২০২৬ সালের ১৭ জুন শ্যামনগরে আমার বাবার বাসায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এ সময় আমার স্বামীর প্রথম স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘গত ১৩ জুলাই দুই স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার মগবাজারে আমার বাবার অফিসে যাওয়া একটি সম্পূর্ণ পারিবারিক সফর ছিল। সেখানে পরিকল্পিতভাবে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করা হয় এবং আমাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে মানহানি ও হেনস্তা করা হচ্ছে।’


এই বিভাগের আরো খবর