সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, ইসরায়েলের প্রেক্ষাপটে সব মুসলিম দেশকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ বিষয়ে আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই।
মূলত পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ১৯১৭ সালের ব্রিটিশ ঘোষণার দিকে ইঙ্গিত করছিলেন, যেখানে ইসরায়েল ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য একটি জন্মভূমি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সমর্থন দেওয়া হয়েছিল এবং যার পথ ধরে তিন দশক পর ইসরায়েল স্বাধীনতা লাভ করে। উল্লেখ্য ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছর আগে ১৯৪৭ সালে একইভাবে ব্রিটিশ ঘোষণার ভিত্তিতে পাকিস্তানও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
পূর্বে ইসরায়েলকে ‘মানবতার জন্য অভিশাপ ও অশুভশক্তি’ এবং একটি ‘ক্যান্সার আক্রান্ত রাষ্ট্র’ হিসেবে বর্ণনা করা খাজা আসিফ সাক্ষাৎকারে জানান, চলতি বছরের ২৭ অক্টোবর নির্ধারিত ইসরায়েলি নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরাজিত হলেও তার এই তীব্র বিরোধী অবস্থান পরিবর্তন হবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের ইসলাম-বিরোধী মানসিকতা দূর হবে না। তারা মুসলিম দেশগুলোকে একে অপরের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে চলেছে। আর তাই যতক্ষণ না ফিলিস্তিন সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে, ততক্ষণ পুরো ইসলামিক বিশ্বকে তাদের বিরুদ্ধে এক হয়ে দাঁড়াতে হবে।







