দ্বিতীয় টেস্টে ৩৮৯ রানের লক্ষ্যে নেমে পাকিস্তান ১৯৪ রানে অলআউট হয়েছে। নিজেদের ৪৭৩তম টেস্টে ১৫৪তম হার দেখল তারা। জয়ের সংখ্যাকে ছাপিয়ে গেল তাদের পরাজয়। টেস্টে তারা জিতেছে ১৫৩ ম্যাচ। বাকি ১৬৬ টেস্ট হয়েছে ড্র।
১৯৮৭ সালের পর প্রথমবার পাকিস্তানের টেস্ট জয়ের সংখ্যা হারের সংখ্যার পেছনে পড়ে গেল। শেষবার তাদের হার জয়ের সংখ্যাকে পেছনে ফেলেছিল ১৯৮৭ সালের আগস্টে দ্য ওভালে, সেই ইংল্যান্ডের কাছেই হেরে। ওই সময় ১৭০ টেস্ট খেলে তাদের জয় ছিল ৩৯টি, হার ৪০।
জয়ের চেয়ে হার বেশি থাকার তালিকায় সবশেষ যুক্ত হলো পাকিস্তান। হারের চেয়ে জয় বেশি পাওয়া দলের তালিকায় আছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ১০৯৯ টেস্ট খেলে ইংল্যান্ডের ৪০৭ জয়ের বিপরীতে হার ৩৩৬টি। অস্ট্রেলিয়া ৮৮৪ টেস্টে সর্বোচ্চ ৪২৭টি জয় ও ২৩৬ হার দেখেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা খেলেছে ৪৭৯ ম্যাচ, ১৬২ হারের বিপরীতে জয় ১৯১টি।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ জিতেছিল ২৮তম টেস্ট। ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের পর ম্যাকাইতে ১৬১তম টেস্ট খেলতে নেমে ১১৪তম হার দেখে তারা। ক্রিকেট বিশ্বের বর্তমান পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত ভারতেরও জয়ের চেয়ে হারের সংখ্যা বেশি, ৬০১ ম্যাচ খেলে ১৮৭ জয়, হার ১৮৮টি।
নিউজিল্যান্ড ৪৮৭ ম্যাচ খেলেছে। ১২৬ ম্যাচ জিতেছে তারা, হার দেখেছে ১৯০ টেস্টে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫৯৬ ম্যাচ খেলে ১৮৭ জয়ের বিপরীতে হার দেখেছে ২২৪ ম্যাচ। ৩৩১ ম্যাচ খেলে ১০৭ জয় ও ১২৯ পরাজয় শ্রীলঙ্কার। আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান সমান ১৩টি করে টেস্ট খেলে যথাক্রমে ৮ হারের বিপরীতে চারটি জয় ও ১০ হারের বিপরীতে ৩ জয় দেখেছে। জিম্বাবুয়ে ১৩০ ম্যাচ খেলে হেরেছে ৮৪টি, জয় মাত্র ১৬টি।