আজকের জয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় জয়। মোদির মতে, এনডিএ এর ওপর ভরসা রেখেছে দেশবাসী। বিরোধীদের কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “দেশের দুর্নাম করা ব্যক্তিদের আয়না দেখিয়ে দিয়েছে এই ফলাফল।’ অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, সিকিমের মতো রাজ্যে দলের জয় নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে ওড়িশায় সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এই সমস্ত রাজ্যগুলিতে কংগ্রেস মুছে গিয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় কংগ্রেসের জামানত রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।” উত্তরাখণ্ড, মধ্যপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যে দলের উল্লেখ করলেও, উত্তরপ্রদেশের নাম করেননি তিনি। বিহারের ফলাফলের জন্য নীতীশ কুমার, অন্ধ্রপ্রদেশের ফলাফলের জন্য চন্দ্রবাবু নাইডুকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁদের জন্যই এনডিএ এর জয় হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “২০১৯ সালে আমাদের ব্যাপক ফলাফল হয়েছিল। ২০২৪ সালে সেই সমস্ত গ্যারান্টি নিয়ে দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছেছি। আজ আশীর্বাদ পেয়েছে এনডিএ।” ভোটের ফলাফলের ভাষণের মধ্যেই নিজের প্রয়াত মায়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, “দেশের কোটি কোটি মা, বোন আমায় মায়ের অভাব বুঝতে দেননি। তাঁরা আমায় নতুন প্রেরণা দিয়েছেন।” তাঁর কথায়, “বিরোধীরা একজোট হয়ে ততগুলি আসনে জিততে পারেনি, যতগুলিতে বিজেপি একা জিতেছে। আমি দেশের প্রতিটি প্রান্তের বিজেপি কর্মীকে বলব, আপনাদের পরিশ্রম, আপনাদের ঘাম মোদিকে নিরন্তর কাজ করার প্রেরণা দেবে। আপনারা ১০ ঘণ্টা কাজ করলে মোদি ১৮ ঘণ্টা কাজ করবে, আপনারা ২ পা এগিয়ে গেলে, মোদি ৪ পা এগিয়ে যাবে।” তাঁর কথায়, “তৃতীয়বারের সরকার বড় সিদ্ধান্ত নেবে। এটাই মোদির গ্যারান্টি।” কংগ্রেসের দারিদ্র দূরীকরণের স্লোগানকে ভোট প্রচারে কটাক্ষ করলেও, এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যতক্ষণ না দরিদ্র ঘুচবে, থামব না।”