ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা এবং গুম সংক্রান্ত যে অপরাধ, সেগুলোর তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করতে আমরা সময় চেয়েছি। আদালত দুই মাস সময় দিয়েছেন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।’তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার নির্দেশে ও পরিকল্পনায় গোপন কারাগারে নিষ্ঠুরতম পন্থায় বছরের পর বছর নির্যাতন হত্যা এমনকি নদীতে লাশ ফেলে দিয়ে যে ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সে ব্যাপারে গুম কমিশনের অগ্রগতি রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে এর কিছু অংশ প্রকাশ করা হয়েছে এবং এসব অপরাধের সাথে শেখ হাসিনা সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একইভাবে মন্ত্রী পরিষদের কিছু সদস্য আছেন যারা পলাতক কিংবা গ্রেফতার অবস্থায় আছেন অনেকেই এই গুমের ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন তা তো কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্ত এখনো চলমান, তবে আমাদের কাছে যা প্রতিবেদন আছে আমরা আদালতে জমা দেব।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘পাশাপাশি বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিস, আদালতের পরোয়ানা কার্যকর ও ভারতের সাথে অপরাধী বহিঃসমর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণে আদালত দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।’
মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলে, ‘এই মামলার ব্যাপকতা অনেক এবং এর বিস্তৃতি সারা দেশ জুড়ে। ঠিক কতদিনের মধ্যে বিচার শেষ হবে সেটা বলা কঠিন, তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলাগুলোর বিচার নিষ্পত্তি করতে যেহেতু আহত-নিহত কিংবা গুমের শিকার প্রত্যেকের আশা-আকাঙ্ক্ষা এ মামলা সাথে জড়িয়ে আছে।’