আন্দোলনরত চিকিৎসক আবু সাঈদ বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে আন্দোলন করে আসছি। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্দোলন করলে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে। যেহেতু এখন একটা বিপ্লবী সরকার ক্ষমতায় আছে, আমরা আশা করব কোনো ধরনের সময়ক্ষেপণ না করে আমাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়া হবে। আজ প্রজ্ঞাপন ছাড়া আমরা কেউ ঘরে ফিরে যাব না।

ঢাকা মেডিকেলের পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসক হাসান জামিল জানান, আমরা এর আগেও আন্দোলন করেছি, তখন আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কিন্তু বাস্তবায়ন করা হয়নি। যে ভাতা পাই তাতে কোনোভাবেই চলা সম্ভব না। তাও আবার ছয় মাস অন্তর অন্তর আমাদের ভাতা দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাইরে কোনো মেডিকেলে আমাদেরকে চেম্বার করতে দেওয়া হয় না। যার ফলে আমরা একেবারে মানবেতর জীবনযাপন করছি।
তিনি আরও বলেন, দেশের হাসপাতালগুলোতে সরকারি ডাক্তাররা যেভাবে সেবা দেয় আমরাও সেরকম সেবা দিয়ে থাকি কিন্তু আমাদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে। তাই আমরা চাচ্ছি আমাদের ভাতা অন্তত ৫০ হাজার টাকা করা হোক।