শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, অধিকাংশ পণ্যের দাম কমে এসেছে। চালের দাম কিছুটা বেড়েছে, খুব শিগগিরই দাম কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সরকারি খাদ্য মজুত এখন ১২ লাখ টনের ওপরে। চলতি মাসেই মিয়ানমার থেকে এক লাখ টন চাল আসবে।পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশ থেকেও জিটুজি ভিত্তিতে চাল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। সরকার সিঙ্গেল সোর্স থেকে আমদানি নির্ভর না হয়ে বহুমুখী সোর্স থেকে চাল সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, টিসিবির মাধ্যমে নিয়মিতভাবে স্বল্প আয়ের মানুষকে চাল দেওয়া হচ্ছে। খাদ্য বান্ধব কর্মসূচিতে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছে পঞ্চাশ হাজার পরিবার। এ ছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম ওএমএস চালু রয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া মজুমদার এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রির আদিত্য মজুমদার অভিযোগ করে বলেন ব্যাংকগুলো এলসি খুলতে চাচ্ছে না। শতভাগ মার্জিনে এলসি খুলতে হচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা চাল আমদানিতে বাধার সমুখীন হচ্ছেন। এ সময় তিনি এলসি মার্জিন কমিয়ে ডলার সরবারাহ নিশ্চিত করতে উপদেষ্টাদের সহযোগিতা কামনা করেন। চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে চাল সংগ্রহ করতে সরকারকে পরামর্শ দেন বৈঠকে উপস্থিত চাল আরেক ব্যবসায়ী নাজির প্রধান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এলসি খোলার ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খাদ্যপণ্যে এলসি খোলায় কোন রকম গাফলতি হলে তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রবাসী আয় বেড়েছে, এলসি খোলায় আর সমস্যা হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাসুদুল হাসান, ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মইনুল খান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আব্দুর রহিম খান, টিসিবির চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।