সভায় জানানো হয়, গত ৯ জানুয়ারি রাজশাহী অঞ্চলের বাজারে মোটা চালের বাজারদর ছিল প্রতিকেজি ৪৯ টাকা ৫২ পয়সা। ১ টাকা কমে এ সপ্তাহে মোটা চালের বাজারদর প্রতিকেজি ৪৮ টাকা ৫২ পয়সা। মহানগর, জেলা ও শ্রমঘন এলাকার পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে খোলাবাজারে (ওএমএস) কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে চাল বিক্রয় কার্যক্রম চলছে। এর ফলে বাজারে চাল ও আটার মূল্যের ওপর প্রভাব পড়েছে এবং চাল ও আটার মূল্য হ্রাস পাচ্ছে। বাজারে দাম কমার কারণে খাদ্য বিভাগের সংগ্রহ অভিযান সফল হবে।
আঞ্চলিক খাদ্যনিয়ন্ত্রক মাইন উদ্দিন বলেন, ‘সরকারিভাবে ৪ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করবে সরকার। এর মধ্যে ভারত থেকে আনা ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই খালাস সম্পন্ন হবে। রাজশাহী বিভাগে বেসরকারি পর্যায়ে মোট ৩ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভাগে ১৪ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানির ফলে দেশে খাদ্যশস্যের মজুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মতবিনিময় সভায় আঞ্চলিক খাদ্যনিয়ন্ত্রকের দফতরের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







