রবিবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর সার্কিট হাউসের সভাকক্ষে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর চট্টগ্রাম আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পর অনেক অনেক শিক্ষানীতি করা হয়েছে। সে জন্য বিভিন্ন প্রকার প্রস্তাবও পেশ করা হয়েছে, কিন্তু তা কখনও কার্যকর হয়নি। এটা মূলত আমাদের জাতীয় সমস্যা। এর জন্য আমাদের দেশের অগ্রসর নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্বের সমৃদ্ধ দেশগুলো তাদের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে প্রণয়ন করে যেন দেশের প্রতিটি নাগরিক এ শিক্ষাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যায়। এ জন্যই তাদের মধ্যে একই ধরনের মূল্যবোধ সঞ্চার হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা দিন দিন বিভক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে। ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি ঠিক, কিন্তু সে কাঠামোতে এখনও বন্দি। আমরা কাগজে-কলমে শিক্ষিত হচ্ছি ঠিক, কিন্তু এখনও প্রকৃত স্বাক্ষর হয়ে উঠিনি। আমি জানি এ দুরবস্থা এত কম সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। সে জন্যই আজকে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি, আপনাদের পরামর্শ নিয়েছি। আশা করছি এ আলোচনা সভা ফলপ্রসূ হবে।’
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. আব্দুল হাকিম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক আতাউর রহমান।







