রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
/ রাজনীতি
জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার প্রধান আসামি ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে শেখ হাসিনা আরো পড়ুন
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন আজ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নির্ধারিত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আগামী ৯ বা ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। আজ বিকেলে পররাষ্ট্র
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার যড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের বিরুদ্ধে এই যড়যন্ত্র রুখে দিতে সব রাজনৈতিকদলের প্রতি এক্যৈর আহ্বান জানিয়েছেন।আজ বুধবার ঢাকায়
রাজধানীর ৩ থানায় দায়ের করা পৃথক ৫ মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার হাসানুল হক ইনু, সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান, সাবেক তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজকে সারাদেশের মানুষ জাগরিত। তাদের মনের যে জাগরণ দেশ মাতৃকা রক্ষার জন্য, এখানে হিন্দু-মুসলমান এই মাতৃকায় যাদের জম্ম, এই মাটির সন্তান তারা।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ভারতের শাসক গোষ্ঠী বিভেদের রাজনীতি ও বাংলাদেশ-বিরোধী মিথ্যাচারে লিপ্ত রয়েছে উল্লেখ  করে বলেছেন, ভারতের শাসকগোষ্ঠী ও হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দু’দেশের জনগণের মধ্যে গণতান্ত্রিক সম্পর্ক
অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ভারতের উচিত বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতা উপলব্ধি করা এবং দ্ব্যর্থহীনভাবে বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতার গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে স্বীকৃতি দেওয়া।উপদেষ্টা আজ বুধবার সকাল ৬টার দিকে নিজের
গণফোরাম সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার দায় ভারতীয়