সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
/ রাজশাহী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপ-উপাচার্য, প্রক্টর, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর হামলার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক আরো পড়ুন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক জরুরি সভায় তারা এ সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়াও ফোরামের পক্ষ থেকে আগামীকাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় অভ্যন্তরীণ ৫ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে সিন্ডিকেট। আজ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। দিনভর অনশন করেছেন ৭/৮ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও জুবেরী ভবনের কক্ষ ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। বর্তমানে থমথমে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে ৫ ঘণ্টা ধরে জুবেরী ভবনে উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি) অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। বিকেল ৪টার দিকে তাদের অবরুদ্ধ করা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটা ইস্যুতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনের বারান্দায় এ ঘটনা ঘটে। এখনো
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি। বরং তাদের রাষ্ট্রের যেকোনো ইস্যুতে চাপ সৃষ্টিকারী গ্রুপ হিসেবে ভূমিকা রাখার সুযোগ ছিল। তবে আমরা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের প্রচার জমে উঠেছে অভিনবত্বে। কেউ গান গেয়ে ভোট চাইছেন। কেউ মুদ্রার আদলে তৈরি করেছেন প্রচারপত্র। কারও কাছে ডাকটিকিটের মতো কাগজ; আবার কেউ পুলিশের