রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় অভ্যন্তরীণ ৫ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে সিন্ডিকেট। আজ বিকেলে সিন্ডিকেট সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ। তিনি জানান, পোষ্য কোটা উপাচার্যের দেয়া সিদ্ধান্তই স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। এদিকে রাকসু নির্বাচন নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য সিন্ডিকেট সকল পক্ষের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন।

এদিকে অফিসার সমিতির সভাপতি মুক্তার হোসেন জানিয়েছেন শিক্ষকের উপর হামলার সাথে জড়িতদের দৃশ্যমান বিচার না হওয়ায় কাল থেকে কমপ্লিট শার্টডাউন কর্মসূচি পালন করা হবে। পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী আজ সকাল থেকে শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীরা অবস্থান নেয় প্রশাসনিক ভবনের পাশে লিচু তলায়। তারা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা আদায়ের ব্যাপারে অনড় অবস্থানে থাকে। তবে কমপ্লিট শার্টডাউন তাদের কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে বলে জানান। শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অফিসার সমিতির কর্মকর্তারাও
এদিকে রাকসু নির্বাচন নিয়ে এখনও দুম্রজাল কাটেনি। নির্বাচনটি নির্দিষ্ট দিন আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে কিনা এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে আগামীকাল সোমবার। আজ রাতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ এ কথা বলেন। তিনি বলেন আগামীকাল নির্বাচন কর্মকর্তাদের কর্মশালার দিন ধার্য আছে। শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের কমপ্লিট শাট ডাউন এর কারণে যদি সেটি ব্যাহত হয় তাহলে নির্বাচন কমিশনাররা বসে করনীয় ঠিক করবেন।
এদিকে নির্বাচন অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ায় আজ রাকসু প্রার্থীরা প্রচার প্রচারনায় তেমন দেখা যায়নি।
রাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে ১৮ জন, জিএস পদে ১৩ জন, এজিএস পদে ১৬ জন সহ ২৩টি পদে ২৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধির ৫টি পদে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তফসিল অনুযায়ী, আগামি ২৫ সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণ করা হবে।