সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
/ রেসিপি
বড়দিন মানেই কেক, কুকির গন্ধ। আড্ডা, হুল্লোড়। জমিয়ে খাওয়া। কেক বা কুকি বেক করেই করতে হয়। কিন্তু এমন কোন পদ ঘরোয়া পার্টির শেষ পাতে খাওয়ার জন্য রাখতে পারেন, যেখানে বেকিং-এর আরো পড়ুন
ক্রিসমাস পার্টি মানেই রকমারি খাওয়া, জমিয়ে হুল্লোড়। সে কারণে মেনু নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হয় বইকি! শুধু বড়রা নয়, থাকবে ছোটরাও। তাই এমন কোনও পদ বানাতে চান, যা মুখরোচক হলেও
ছোট্ট একটি ফল। কিন্তু পুষ্টিতে ভরপুর। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ডায়েটরি ফাইবার। দ্রুত শরীরকে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে খেজুর। ফল হিসাবে খাওয়া ভাল। তবে রকমারি পদের স্বাদ বৃদ্ধিতেও খেজুর
সোরিয়াসিস মানেই আতঙ্ক। এই রোগ একবার হলে সহজে সারতে চায় না। ত্বকে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ত্বকের উপরের স্তর থেকে খোসার মতো চামড়া উঠতে শুরু করে দেয়। সেই জায়গায় ভয়ঙ্কর
মশলার আধিক্য নেই। সাদামাঠা খাবার। রাঁধতেও খুব সময় লাগে না। ভাত বা রুটি, সব কিছুর সঙ্গেই খাওয়া যায়। স্বাদেও যেমন খাসা, পেটও ভরে থাকে অনেক ক্ষণ। এখনকার কর্মব্যস্ত জীবনে এমন
শীতের দিনে ঘন, মসৃণ ক্রিমের মতো মাশরুম স্যুপ খেতে অনেকেরই ভাল লাগে। কিন্তু বাড়িতে স্যুপ বানালেও রেস্তরাঁর মতো স্বাদ হচ্ছে না? তা কখনও বেশি পাতলা হয়ে যাচ্ছে, কখনও আবার ঘন?
শীতকালে নানা রকম সব্জি বাজারে। তবে ছোটরা অনেক সময়েই শাকসব্জি খেতে চায় না। শরীরে যদি অন্য সমস্যা না থাকে তা হলে এই ঠান্ডার সময়ে পালং শাক খেতে বলেন চিকিৎসকেরা। পালং
বিকেল হলেই খাই খাই করে শিশু? বাইরে থেকে রোল-চাউমিন বা পিৎজ়া-বার্গার খাওয়ার জন্য বায়না করে? শীতের এই সময়ে ভুলেও কোনও রকম জাঙ্ক ফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার শিশুকে খাওয়াবেন না। খুদে