এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের মৃত্যুও খবরে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে বাঘার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত ২২ জুন মেয়র আক্কাস আলী ও উপজেলা চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলুর অনুসারীর সাথে স্থানীয় সাংসদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ইট পাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র, ককটেল ও আগ্নিয়অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পুলিশ আধাঘন্টা ধরে রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তঃত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল কে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এঘটনায় নিহতর স্ত্রী বাদী হয়ে বাঘা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ সহ ৭জনকে গ্রেফতার করে। এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকেই মেয়র আক্কাস ও উপজেলা চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলুর অনুসারী নেতাকর্মীরা গ্রেফতার আতংকে ছিল। অনেকেই গ্রেফতার এড়াতে নিরাপদ স্থানে সড়ে গেছে।