বৈঠকে প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল ডলারের বিনিময় হারে আরও নমনীয়তা আনা ও আইএমএফের চাওয়া ‘ফ্রি ফ্লোটিং’ মডেল বাস্তবায়ন। জানা গেছে, এই বিনিময় হার ব্যবস্থার বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে আটকে আছে ১৩০ কোটি ডলারের কিস্তি। এটি ৪৭০ কোটি ডলারের মোট ঋণ প্যাকেজের একটি অংশ।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আইএমএফের সঙ্গে অনলাইনে শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। তারা কিস্তি ছাড় করতে চায় বলেই এই আলোচনা হয়েছে। তবে আমরা এমন কোনও শর্ত মানবো না, যাতে জনগণের কষ্ট হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হলেও আলোচনা আশাব্যঞ্জক ছিল। আগামী দিনগুলোতে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।’
এ বিষয়ে এর আগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আইএমএফ যদি অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দেয়, বাংলাদেশ তখন আর এই ঋণ নিতে আগ্রহী থাকবে না।’







