আমিনুল হক বলেন, রাজনৈতিক যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ আমরা গত ১৭ বছরে দেখেছি, সেই দুঃশাসন থেকে ফিরে আসার অন্যতম মাধ্যম হলো খেলাধুলা। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে হাইস্কুল পর্যন্ত খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আমরা আগামীতে উপজেলা পর্যায়েও ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ দেব। এক্ষেত্রে আমরা স্পোর্টস ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ৩০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে পেশাগত স্বীকৃতি ‘ক্রীড়া কার্ড’ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আমরা ৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়কে এই ক্রীড়া ভাতা ও কার্ডের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করব। এছাড়াও আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ডিভাইস থেকে দূরে রাখতে চাই। এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।







