চলতি মাসের শুরুর দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘‘আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না। তবে তিনি বলেছেন, যদি পাঠাতামও তাহলে নিশ্চিতভাবেই আমি আপনাদের তা জানাতাম না।’’শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, ইরানে কোনও স্থল সেনা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম।
শনিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে। এছাড়া দেশটির নৌবাহিনীর প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সৈন্য ও মেরিন সেনার একটি ইউনিটের নেতৃত্ব দিচ্ছে এই রণতরী।
• ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাবে আস্থা নেই ইরানের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার জল্পনা-কল্পনার মাঝে ইরানি কর্মকর্তাদের এমন গভীর অবিশ্বাস প্রকাশের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। নেপথ্যে কী ঘটছে তা বিস্তারিত জানা না গেলেও একটি বিষয় স্পষ্ট। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে ইরানের নীতি মূলত পশ্চিমা রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক প্রভাবের বিরোধিতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে; যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রধান শত্রু হিসেবে গণ্য করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তৃতীয় দফা পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনার ঠিক দুই দিন পর শুরু হয়।
গত গ্রীষ্মেও যখন দুই দেশ পারমাণবিক আলোচনায় লিপ্ত ছিল, ঠিক তখনই ইরানের ওপর হামলা শুরু হয়েছিল। এর ফলে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধ হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে।
২০১৫ সালের চুক্তি থেকে ট্রাম্প সরে যাওয়ার পর যেকোনও নতুন চুক্তিকে মার্কিন বিশ্বাসযোগ্যতার পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন ইরানি কর্মকর্তারা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের সেই সংশয় আরও ঘনীভূত হয়েছে।







