দুদিনে ইরানের শীর্ষ তিন নেতাকে হত্যার এই ঘটনা ইরানের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বুধবার আলি লারিজানি ও গোলামরেজা সোলেইমানির জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে লারিজানির হত্যাকাণ্ড ইরানের নেতৃত্বের মাঝে বড় ধরনের কোনও প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। বুধবার ভোরের দিকে তেহরান লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করার পর আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখনও বুঝতে পারেনি, ইরানের সরকার কোনও একক ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।
ইসরায়েলি একাধিক সূত্র বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তিনজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘোষণা দিতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি বাহিনীকে অন্যান্য ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যার জন্য আগাম অনুমোদন দিয়ে রেখেছেন। যে কারণে হামলা চালানোর আগে প্রতিবার আলাদা করে অনুমতির প্রয়োজন হবে না তাদের।
মঙ্গলবার ইরানের সরকার দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের প্রভাবশালী সেক্রেটারি আলি লারিজানি ও আইআরজিসি নিয়ন্ত্রিত আধা-সামরিক বাহিনী বাসিজের কমান্ডার সোলেইমানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। লারিজানি ছিলেন ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব; যিনি এর আগে পশ্চিমাদের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।