বাঙালি মানেই বেশ লুচি-তরকারি, মাছ-ভাত খাওয়া চেহারা। মোটা না হলেও ছোট্ট একটা ভুঁড়ি অবধারিত। আর সেই ভুঁড়ি কমাতে গেলে ওট্স, চিয়া বীজ আরও কী সব যেন খেতে হবে। দু’দিনের বেশি মুখে রোচে নাকি ও সব? সেদ্ধ সব্জি ও স্মুদি খেয়ে ডায়েট করা বাঙালি এক সময়ে থালা সাজিয়ে খেতেই পছন্দ করত। বাঙালির দুপুরের খাওয়া মানে, জুঁই ফুলের মতো সাদা ভাতে শুক্তো, ভাজা, ডাল, তরকারি, মাছ বা মাংস-সহ পঞ্চব্যঞ্জন থাকতই। কার্বোহাইড্রেট-প্রোটিন-ফ্যাট ও ফাইবারের চাহিদা তাতেই পুষিয়ে যেত দিব্যি। আলাদা করে এগুলো নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু এখন ডায়েটের চক্করে সেই থালা ছোট হয়েছে, তাতে খাবারের ধরনেও বদল এসেছে। আলাদা করে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট বা ফাইবার নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। কেউ খাচ্ছেন শুধু প্রোটিন, কেউ বাদ দিচ্ছেন কার্বোহাইড্রেট, কেউ আবার এক বেলা উপোস করে সুস্থ থাকার চেষ্টা করছেন।
অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে ব্রাউন রাইসে, নানা রকম ফলের বীজ ও খোসায়। বাঁধাকপি, ফুলকপি, আলু, কড়াইশুঁটি, ছোলা, মুসুর ডালের মতো খাবারেও থাকে তা। এর কাজ পেট পরিষ্কার রাখা, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা এবং অবশ্যই ওজন কমানো। তা ছাড়া এই খাবারগুলি ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতিও মেটায়।
ফলের রসের বদলে গোটা ফল খান। খোসা সমেত খেতে পারলে ভাল।
গোটা শস্য, ব্রাউন ব্রেড, সিরিয়াল, ভাত, পাস্তা খেতে পারেন।
বিন ও নানা রকম ডাল বেশি করে খান। মুগ, মসুর, ছোলা বা রাজমায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে।
খেয়াল রাখতে হবে, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেলে জলও প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। ফাইবার শরীরের জল শুষে নেয়। তাই জল ও তরল খাবার বেশি করে খেতে হবে।