জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং সেই আদেশের উপর গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামীসহ আন্দোলনরত ৮ দল। আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেল ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান রাজশাহী মহানগর জামায়তে ইসলামীর সেক্রেটারী ইমাজ উদ্দিন মন্ডল।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এবং অন্য দলগুলোর বিভাগের আট জেলার নেতাকর্মীরা অংশ নিবেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন আট দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, সমাবেশে দুই থেকে আড়াই লাখ লোকের সমাগম হবে।
সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী মহানগর জামায়তে ইসলামীর সেক্রেটারী ইমাজ উদ্দিন মন্ডল বলেন, পিআর ও জুলাই সনদ অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। কিন্তু সরকার সেভাবে বাস্তবায়নে ও গণভোট আয়োজনে গড়িমসি করছে। একদিনে গণভোট ও নির্বাচন এটা হাস্যকর। এতে গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। সরকার শুধু উচ্চকক্ষের পিআর বলছে। আমরা উভয়ক্ষেত্রে বলেছি।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকারের প্রশাসন, বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে কাজ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশা আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে সজ্জিত হয়েছে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা সময়ের দাবি। জুলাইয়ে আহত শহীদ ও পঙ্গুদের যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়নি।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজশাহী মহানগরের সভাপতি হুসাইন আহমদ, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুরশিদ আলম ফারুকি, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ সুজন, জামায়াতে ইসলামীর নাটোর জেলা আমির ড. মীর নুরুল ইসলাম, রাজশাহী জেলা সেক্রেটারি গোলাম মর্তুজা, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) বিভাগীয় সমন্বয়ক বাতিনুর রহমান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি সভাপতি সাইফুল হকসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।