মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন

পুড়ে গেলে বা ছেঁকা লেগে ফোস্কা পড়লে বরফ ঘষেন? এই পদ্ধতি ক্ষতিকর

নিউজ ডেস্ক
আপডেট : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

রান্নার সময়ে ছেঁকা লাগা বা মাছ ভাজার তেল ছিটকে এসে হাতে, গলায় বা মুখে ফোস্কা পড়া খুব অস্বাভাবিক নয়। তার পর ধরুন, গরম তেল বা গরম জল হাতে পড়ে পুড়ে গেল অনেকটা, তখন দাঁত মাজার মাজন বা অ্যান্টিসেপটিক মলম লাগিয়েই নিশ্চিন্ত হলেন। পোড়ার জায়গাটা ঠান্ডা হল বটে, কিন্তু আদৌ কি সেটা স্বাস্থ্যকর হল? ছেঁকা লেগে ফোস্কা বা জ্বালাপোড়ার ক্ষতে সবচেয়ে আগে বরফ ঘষা হয়। তার পর কেউ মাজন লেপে দেন ক্ষতে, আবার কেউ বিভিন্ন রকম অ্যান্টিসেপটিক মলম লাগিয়ে নেন। কিন্তু জানেন কি, পোড়া জায়গায় বরফ ঘষা বা মাজন লাগানো একেবারেই উচিত নয়।

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের কোনও জায়গা পুড়ে গেলে সবচেয়ে আগে ক্ষতস্থানে ঠান্ডা জল দিতে হবে। বরফ জল হলে খুবই ভাল। তাই বাড়ির ফ্রিজে আগে থেকেই জল ভরে রাখুন। ক্ষত স্থানে ভুলেও বরফ দেবেন না। এতে শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করা যায় না।

হাতের কাছে সিলভার সালফার ডায়োজিন বা ন্যানো সালফার জাতীয় মলম মজুত রাখুন। অল্প পুড়লে ঠান্ডা জল কিছু ক্ষণ ক্ষতস্থানে দেওয়ার পর এই মলম লাগিয়ে নিন। তার উপর গজ বেঁধে দিন ক্ষত স্থানটিতে।

আরও কিছু উপায় আছে, যেমন পোড়া ত্বকের উপর অ্যাল ভেরা জেল লাগান। জ্বালা কমে যেমন ঠান্ডা অনুভূতি হবে, তেমনই ক্ষতও সারবে তাড়াতাড়ি। কাঁচা মধু অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে অসাধারণ কাজ করে। পুড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতে মধু লাগান। জ্বালা কমে যাবে। পোড়ার দাগও হবে না। ল্যাভেন্ডার অয়েলও এ ক্ষেত্রে ভাল। তবে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, পোড়া জায়গায় নারকেল তেল বা অন্য কোনও তেল, ক্রিম লাগাবেন না। এতে সংক্রমণ বাড়বে। ঘা না শুকোনো পর্যন্ত ময়লা, তেল যেন না লাগে।


এই বিভাগের আরো খবর