তিনি বলেন, ‘তারা শুধু জলকেলি উৎসবই পালন করেই ক্ষান্ত হয়নি; ঐ উৎসবের সচিত্র ভিডিও তারা সামাজিক গণমাধ্যম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছে। আরাকান আর্মির রাজনৈতিক শাখা ইউএলএ এবং স্থানীয় জনগণ হটা করে ঐ উৎসবে অংশগ্রহণ করেছে।’
‘বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে অনুপ্রবেশ করে উৎসব করার মাধ্যমে তারা মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। এ ঘটনা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর এক মারাত্মক হুমকি এবং উদ্বেগজনক। সচেতন দেশবাসীর প্রশ্ন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করার মতো দুঃসাহস তারা কিভাবে পেলো?’ প্রশ্ন করেন সেক্রেটারি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ঐ সময় আমাদের সরকার, বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী কী করছিল? এটা বর্তমান সরকার ও সামরিক বাহিনীর জন্য চরম ব্যর্থতা। এ ধরনের উদাসীনতা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি। দেশবাসী এ ব্যাপারে বর্তমান সরকার ও সামরিক বাহিনীর সুস্পষ্ট বক্তব্য জানতে চাই।’তিনি বলেন, ‘বান্দরবানসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় আরাকান আর্মির ধৃষ্টতাপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।’







