১৬তম ওভারে ১৪১ রানে অষ্টম উইকেট পতনের পর নবম উইকেট জুটিতে ২৪ বলে ৪২ রান যোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বড় সংগ্রহ এনে দেন লিন্ডে ও কিউনা মাফাকা। ইনিংসের শেষ বলে আউটের আগে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় ২৪ বলে ৪৮ রান করেন লিন্ডে। ১২ রানে অপরাজিত থাকেন মাফাকা। পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ও লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ ৩টি কর উইকেট নেন।
জবাবে তৃতীয় ওভারে খালি হাতে বিদায় নেন পাকিস্তানের ওপেনার বাবর আজম। দ্বিতীয় উইকেটে সাইম আইয়ুব ও অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান ২৪ বলে ৪০ রানের জুটি গড়েন। জুটিতে ৭টি চারে ১৫ বলে ৩১ রান তুলে থামেন সাইম।চার নম্বরে নেমে উসমান খান ৯ রানে থামলে মিডল অর্ডারে তায়েব তাহিরকে নিয়ে ৩২ ও শাহিনকে নিয়ে ১৭ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান।
১৭তম ওভারে ৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করে পাকিস্তানকে লড়াই থেকে ছিটকে দেন লিন্ডে। ঐ ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেন তিনি। হারিস রউফকে লেগ বিফোর করে হ্যাটট্রিকের আনন্দে মাতেন লিন্ডে। কিন্তু রউফের রিভিউতে আউটটি বাতিল হলে হ্যাটট্রিক বঞ্চিত হন লিন্ডে। ১৮ ওভার শেষে ১৫৩ রানে ৭ উইকেট পতন হলে শেষ ২ ওভারে ৩১ রান দরকার পড়ে পাকিস্তানের। ক্রিজে রিজওয়ান থাকায় জয়ের আশায় ছিলো পাকিস্তান।
১৯তম ওভারে ৩টি চারে ১২ রান তুলেছিলেন রিজওয়ান। শেষ ওভারে ১৯ রানের প্রয়োজনে ১ উইকেটে মাত্র ৭ রান হওয়ায় ২০২১ সালের এপ্রিলের পর দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হারে পাকিস্তান। এরমাঝে তিন দেখায় সবগুলোতেই জয় পেয়েছিলো পাকিস্তান। ১৫ ওভার শেষে ৪৪ বলে ৩৬ রান করা রিজওয়ান শেষ পর্যন্ত ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৬২ বলে ৭৪ রান করেন। ৪ ওভারে ২১ রানে ৪ উইকেট নেন লিন্ডে। ব্যাট হাতেও দলের জয়ে অবদান রাখায় ম্যাচ সেরা হন লিন্ডে।১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা।