সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা লিখেছেন, ‘তোমার বিদায়ের ঘোষণায় এক লহমায় অনেক কিছু ভেসে উঠল চোখে। এত বছরের একসঙ্গে পথচলা, মাঠের ভেতরে-বাইরে কতশত স্মৃতি! ওয়ানডেতে তোমার রেকর্ডই তোমার হয়ে স্বাক্ষ্য দেবে অনেক কিছুর। তোমার ব্যাটের দ্যুতিতে কত আলোর দিন এসেছে দেশের ক্রিকেটে! তবে রেকর্ড বইয়ে লেখা থাকবে না, কতটা নিবেদন আর নিষ্ঠায় তুমি ক্যারিয়ার গড়েছিলে, কতটা ঘামের স্রোত পেরিয়ে সাফল্যের তীর ছুঁয়েছিলে। তোমার পরিশ্রম, প্রতিজ্ঞা আর ত্যাগের গল্প বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রজন্মের পর প্রজন্মে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।’
মুশফিকের মতো বগুড়ার ছেলে তাওহীদ হৃদয়। নানা প্রয়োজনে ক্যারিয়ার জুড়েই মুশফিকের কাছ থেকে পেয়েছেন সহযোগিতা। আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্যাপটিও প্রিয় ক্রিকেটার মুশফিকের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। স্মৃতিকাতর তাওহীদ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘বগুড়া স্টেডিয়ামে আপনি অনুশীলন করছেন শুনে ছোটবেলায় আপনাকে দেখার আশায় স্টেডিয়ামের গেইটের গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা থেকে শুরু করে, ওডিআই -এর আন্তর্জাতিক ক্যাপ আপনার হাত থেকে গ্রহণ করা এবং একই ড্রেসিং রুম শেয়ার করা:- আমার কাছে রূপকথার গল্পের থেকে কম নয়! এরকম লাখো ছেলেদের আইডল আপনি, যার জন্য আমার মতন অনেকেই আপনাকে একবার দেখবে বলে কতো দিন অপেক্ষা করেছে। আপনি আমার আইডল, কতটা গুরুত্বপূর্ণ আপনি তা হয়তো বুঝতেও পারবেন না।’
জাতীয় দলের আরেক পেসার শরিফুল ইসলামের কাছেও মুশফিক অনুপ্রেরণার নাম। তিনি লিখেছেন, ‘আপনি আমার কাছে একজন অনুপ্রেরণার নাম। আমি যখন বোলিং প্রান্তে থাকি, আপনি কিপিং প্রান্তে সেই মুহূর্ত টা মিস করবো, সেইসময় যেভাবে সাপোর্ট করতেন ভালো ডেলিভারি করার জন্য সেটা অসাধারণ। আমার কাছে আপনি সব সময়ই সেরা। ধন্যবাদ বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এত সুন্দর সময় উপহার দেওয়ার জন্য। আপনার পরবর্তী জীবনের জন্য শুভকামনা।’
উইকেট কিপার ব্যাটার জাকের আলী অনিক ছোট কথায় লিখেছেন, ‘খুব মিস করবো ভাই।’







