চার মাসের প্রেমের পরিণতি হিসেবে গত ৭ এপ্রিল উভয় পরিবারের সম্মতিতে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন তারা।
জানা গেছে, ইমন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ। অন্য দিকে মুসলিমা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি বাগেরহাটে।
পারিবারিকভাবে বিষয়টি কীভাবে জানাজানি হয়, এমন প্রশ্নের জবাবে ইমন বলেন, একবার সে অসুস্থ হলে আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে তার ভাই আমাকে কল দেন। সেখান থেকেই তার ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। আমাদের পরিকল্পনা ছিল পরে বিয়ে করার। কিন্তু বিষয়টি পরিবারে জানাজানি হলে রাজশাহীতে উভয় পরিবারের সদস্যরা এসে কথা বলেন। এরপর ৭ এপ্রিল বিনোদপুর কাজী অফিসে আমাদের বিয়ে হয়। পরে বিয়ের অনুষ্ঠান করে ১৭ এপ্রিল সবাইকে জানানো হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা ছিল কি না এ প্রশ্নে ইমন জানান, শুরুর দিকে পরিবার রাজি ছিল না। আমরা এখনো শিক্ষার্থী হওয়ায় সবাই চাইছিল পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে হোক। কিন্তু আমরা দুজনই নিজেদের পরিবারকে বুঝিয়ে রাজি করাই। পরে উভয় পরিবার সম্মতি দেয়।
বিয়ের অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মুসলিমা বলেন, সবকিছু যেন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হয়ে গেল, কিন্তু অনুভূতিটা খুবই আন্তরিক ও গভীর। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর ধীরে ধীরে ভালো লাগা সব মিলিয়ে ইমনকে জীবনের সঙ্গী হিসেবে পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। পরিবারের সম্মতিতে বিয়েটা হওয়ায় আমরা আরও স্বস্তি পেয়েছি। এখন আমাদের লক্ষ্য পড়াশোনা শেষ করে একসঙ্গে ভালো কিছু করা এবং সুন্দরভাবে জীবনটা গুছিয়ে নেওয়া।
ঢাকা পোস্ট







