২০১২ সালের ৩০ জুলাই ফারুক হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০১৯ সালে হয় চার্জগঠন। এরপর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, সাক্ষ্য, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ রোববার (১২ অক্টোবর) রাজশাহীর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় ২৫ আসামি উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আলী আশরাফ মাসুম জানান, এই মামলার বিচার চলাকালে ৯ জন মারা যান। আদালত ১০৫ জনের বিচার করেছে। তার ভাষ্য- সেদিনের ঘটনায় যেসব ছাত্রলীগ নেতাকর্মী সরাসরি ভিকটিম ছিলেন তারা সাক্ষ্য দেওয়ার সময় কোনো আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে পারেনি। ফলে অপরাধ প্রমাণ না হওয়ায় আসামিরা খালাস পেয়েছেন। একই ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আরও একটি মামলা চলমান ছিল। সম্প্রতি সেই মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।