লস অ্যাঞ্জেলেসের সাম্প্রতিক অস্থিরতায় লিটল টোকিও এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলাকাটির দোকান ও রেস্তোরাঁগুলোতে ইংরেজির পাশাপাশি অহরহ জাপানি বাক্যের ফুলঝুড়িও শোনা যায়। সেখানকার অন্তত এক ডজন মানুষের সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্সের প্রতিনিধি। তাদের সবারই বিশ্বাস, সেনা মোতায়েন করায় বিক্ষোভের তেজ বরং বৃদ্ধি পাচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দা সুলিয়েতি হাভিলি বলেছেন, ন্যাশনাল গার্ড ও মেরিনদের পাঠিয়ে প্রেসিডেন্ট কেবল পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করেছেন। এতে বিক্ষোভকারীরা উল্টো আরও ক্ষেপে গেছে। আমাদের কম্যুনিটি রক্ষায় তারা কোনও কাজেই আসছে না।
নির্বাহী আদেশ ব্যবহার করে সেনা মোতায়েন করায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর গ্যাভিন নিউসোম এবং লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের মেয়র ক্যারেন ব্যাজ।নিউসোম বলেছেন, বিক্ষোভ দমাতে সেনা মোতায়েন করে বারুদে বরং আগুনের ফুলকি ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ওপর আঘাত করা হয়েছে বলেও সতর্ক করেন তিনি।মেয়র ব্যাজ অভিযোগ করেছেন, সেনা মোতায়েন করে ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন ট্রাম্প।
তাদের অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন বরং উল্টো স্থানীয় প্রশাসনের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রশাসন থেকে বলা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে স্থানীয় নেতারা ব্যর্থ হয়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে হোয়াইট হাউজ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তথ্যসূত্র: রয়টার্স







